ঢাকা , শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ , ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​ইউরোপে রোববার থেকে এক ঘণ্টা পেছাচ্ছে ঘড়ির কাঁটা

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ২৪-১০-২০২৬ ১২:৫৩:০৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৪-১০-২০২৬ ১২:৫৩:০৯ অপরাহ্ন
​ইউরোপে রোববার থেকে এক ঘণ্টা পেছাচ্ছে ঘড়ির কাঁটা ​ছবি: সংগৃহীত
ইউরোপের অধিকাংশ দেশে রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে শীতকালীন সময়সূচি। এ দিন স্থানীয় সময় অনুযায়ী ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হবে। সময় পরিবর্তনের ফলে বাসিন্দারা এক ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় পেলেও সন্ধ্যায় তুলনামূলক দ্রুত অন্ধকার নেমে আসবে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই এই পদ্ধতির মূল লক্ষ্য।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, মধ্য ইউরোপীয় সময় অনুসরণকারী দেশগুলোতে রোববার গভীর রাত ৩টার সময় ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে রাত ২টা করা হবে। যুক্তরাজ্য ও পর্তুগালসহ পশ্চিম ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোতেও একই দিনে এই সময় পরিবর্তন কার্যকর হবে, তবে স্থানীয় সময় ভেদে প্রয়োগে কিছুটা পার্থক্য থাকবে।

বছরে দুবার ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের এই শতবর্ষী প্রথা বাতিলের দাবি নিয়ে ইউরোপ জুড়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। ২০১৮ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) এক জরিপে অংশ নেওয়া ৮৪ শতাংশ মানুষ এই প্রথা বাতিলের পক্ষে মতামত দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে সময় পরিবর্তনের প্রথা বাতিলের প্রস্তাব পাস হলেও সদস্যদেশগুলোর মতবিরোধের কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। কিছু দেশ সারা বছর গ্রীষ্মকালীন সময় রাখতে চায়, আবার কিছু দেশ শীতকালীন সময় স্থায়ী করার পক্ষে। স্থায়ী সময়সূচি নির্ধারণ নিয়ে ঐকমত্য না হওয়ায় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পরিবহনে সমন্বয়হীনতার আশঙ্কায় বিষয়টি ঝুলে রয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া তেলসংকটের পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে ফ্রান্সে প্রথম এই ব্যবস্থা চালু করা হয়। পরবর্তীতে ইউরোপের অন্যান্য দেশও এটি গ্রহণ করে। তবে আধুনিক জীবনযাত্রায় এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আদৌ কোনো বড় ধরনের জ্বালানি সাশ্রয় হচ্ছে কি না–তা নিয়ে বর্তমানে বিশেষজ্ঞরা সংশয় প্রকাশ করছেন।

কোভিড-১৯ মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো সাম্প্রতিক বৈশ্বিক রাজনৈতিক সংকটের কারণে ইইউতে বিষয়টি প্রাধান্য হারালেও সদস্যদেশগুলো একমতে না পৌঁছানো পর্যন্ত এই ব্যবস্থা বহাল থাকার সম্ভাবনাই বেশি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ১ নভেম্বর থেকে গ্রীষ্মকালীন সময়সূচি শেষ হতে যাচ্ছে। তবে জাপান, থাইল্যান্ড, আর্জেন্টিনা ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো বিশ্বের অনেক দেশই সারা বছর নির্দিষ্ট একটি সময়সূচি অনুসরণ করে থাকে।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ